পেরুকে হারিয়ে ব্রাজিলের নবম কোপা জয়, কোচ টিটের অনন্য রেকর্ড স্থাপন

কোপা আমেরিকা ২০১৯-এর ফাইনালে পেরুকে ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে ব্রাজিল।

গ্যাব্রিয়েল হেসুস গোল এবং এ্যাসিস্ট করে প্রথমার্ধেই দলকে এগিয়ে রাখেন। ম্যাচের ১৫ মিনিটেই দুজন প্লেয়ারকে কাটিয়ে এভার্টনের গোলের জন্য বলটি ক্রস তুলে এ্যাসিস্ট করেন এবং ব্রাজিলের স্কোরিং শুরু করান।

 

 

গারেকার পেরু প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই সেই শোধ করেছিল। থিয়োয়া সিলভার হ্যান্ডবলের সুবাদে পেনাল্টি পেয়ে গোল করতে ভূল করেননি পেরুর ফর্মে থাকা স্ট্রাইকার গুরেরো।

 

 

এবারের কোপা আমেরিকায় এটিই ব্রাজিল কিপার এ্যালিসনের প্রথম গোল হজম করা। সমতায় অবশ্য বেশিক্ষণ থাকতে পারেনি পেরু, পরের মিনিটেই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার আর্থার ও হেসুসের দারুণ বোঝাপড়ায় গোল করেন হেসুস।

 

 

প্রথমার্ধের নায়ক বনে থাকা ম্যান সিটি স্ট্রাইকার হেসুস দ্বিতীয়ার্ধে নিজের দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায় ৭০ তম মিনিটে লাল কার্ড পান এবং ব্রাজিলকে ১০ জনের দলে পরিণত করেন। পেরুর কার্লোস জ্যামব্রানোকে ফাউলের জন্য মাঠ ছাড়তে না হলে ম্যাচ শেষে হয়ত ম্যাচসেরার পুরষ্কার জুটতে পারত তার কপালে। সেটি বুঝেই হয়ত তিনি ম্যাচ শেষে বলেন,

 

আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমি এটাকে এড়িয়ে যেতে পারতাম এবং আমাকে আরো পরিণত হয়ে উঠতে হবে।

 

ম্যাচসেরা এভার্টন (বাঁয়ে), গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী এ্যালিসন (মাঝে), ট্রফি হাতে আলভেজ (ডানে)

 

একজন কম হবার পরেও ব্রাজিল মাঠের খেলাই আধিপত্য রাখতে সক্ষম হয় এবং এভার্টনের ফাউলের সুবাদে খেলার শেষ মিনিটে পেনাল্টি পায়। যেটিকে বদলি নামা রিচার্লিসন ব্রাজিলের নবম কোপা আমেরিকা শিরোপা জয় নিশ্চিতে সঠিকভাবে কাজে লাগান, তাছাড়া ২০০৭ সালের পর থেকে এটিই ব্রাজিলের প্রথম কোপা ট্রফি।

 

 

পেরুর কোচ রিকার্ডো গারেকা ব্রাজিলের স্বীকৃত সেরা পারফরম্যান্সের কথা বলেছেন ম্যাচ শেষে। তবে ২০১৮ সালে ৩৬ বছরের মধ্যে তাঁর দলের প্রথম বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে ও কোপা ফাইনালে ওঠা নিয়েও প্রশংসা করেন তিনি। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন,

 

এটা ন্যায্য ছিল, ব্রাজিল জিতেছে। আমাদের গতি ছিল কিন্তু দ্বিতীয় গোলটির পরে আমরা পিছিয়ে গেছি। তারা তাদের সুযোগ গ্রহণ করেছিল।

 

ব্রাজিলের ম্যানেজার টিটের জন্য গত রাতে মারকানায় ৭০,০০০ দর্শকের মধ্যে ঐতিহাসিক এক অর্জন হল। তিনি একমাত্র কোচ হিসেবে কোপা আমেরিকা (২০১৯), কোপা লিবার্তেদোস (করিন্থিয়ানস, ২০১২) এবং কোপা সুদামেরিকানা (২০০৮) জিতলেন।