আবারও ভারের খড়গ ইংল্যান্ডের হোয়াইটের ওপর; বিশ্বকাপে তৃতীয় সুইডিশ মেয়েরা

সুইডেন ২০১৯ সালের নারী বিশ্বকাপে তৃতীয় নির্বাচনী ম্যাচে ফ্রান্সের নিসে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ব্রোঞ্জ নিয়ে বাড়ি ফিরল। এই নিয়ে শেষ তিনটি বিশ্বকাপে এটি সুইডেনের দ্বিতীয় বারের মত তৃতীয় স্থানে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করা হল।

 

 

সুইডেনের মিডফিল্ডার আসলানি খেলার ১১ মিনিটেই ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার গ্রীনউডের দুর্বল আত্মরক্ষামূলক ক্লিয়ারেন্সের সুবিধা নিয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন।

 

 

এর ১১ মিনিট পরেই সুইডেনের নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকার জ্যাকবসসন একটি বাঁকানো শটে গোল করেন যা দূরের পোস্টে লেগে জালে জড়ায়। ব্যস তাতেই ইংল্যান্ডের পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যায়।

 

 

অবশ্য ফ্রাঙ্ক কিরবি ৩১ মিনিটে ইংল্যান্ডের হয়ে একটি গোল শোধ করেন এবং তার দুই মিনিটের মধ্যেই চলতি বিশ্বকাপে ৬ গোল করা হোয়াইট গোল করে তার সেলিব্রেশন শুরু করে দিয়েছিলেন কিন্তু তারপর ভিএআরের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের সম্মুখীন হয়ে তার গোলটি বাতিল হয়।

 

 

এটি অন্য সন্দেহজনক সিদ্ধান্ত ছিল, যেখানে ইংল্যান্ডের ব্রোঞ্জের স্বপ্নের সাথে সাথে হোয়াইটের গোল্ডেন বুটের স্বপ্নটিও শেষ হয়ে যায়।

 

 

 

দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত শুরু করেছিল দুই দলই, যেখানে প্রতিটি দলেরই আবার স্কোর করার সম্ভাবনা ছিল। সুইডেন ম্যাচজুড়েই তীক্ষ্ণ দল ছিল, কাউন্টার এ্যাটাকে খেলাটি সাজিয়ে রেখেছিল তারা।

 

 

সুইডেনের আটটি শটের সাতটিই ছিল অন টার্গেট, আর ইংল্যান্ডের ১৪ টির মধ্যে মাত্র চারটি তারা গোলমুখে রাখতে সমর্থ হয়েছিল।

২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল কিন্তু চলতি বিশ্বকাপে ফর্মের তুলনায় শূন্য হাতেই ফিরতে হল লায়নেসেসদের। এজন্য শেষ ম্যাচ দুটি থেকে ভিএআরের দিকে আঙুল তোলার অবকাশ পেতেই পারে তারা।

 

 

ইংল্যান্ড কোচ ফিল নেভিল ম্যাচ শেষে হতাশ কন্ঠে বিবিসি স্পোর্টসকে বলেন;

 

সুইডেন ভাল খেলেছে, ভালভাবে খেলাটি সম্পন্ন করেছে। এটি একটি ননসেন্স খেলা ছিল। আমরা এসেছিলাম গোল্ড মেডাল জিততে কিন্তু খেললাম ব্রোঞ্জ মেডেলের জন্য। তাই এটি আমার কাছে অর্থহীন মনে হয়েছে।

আমরা সম্ভবত প্রথম ২০ মিনিটে যা দেখেছি তা আমরা আমেরিকার বিপক্ষে ম্যাচ থেকে টেনে আনা হতাশ। আমরা এখানে জয়ের জন্য এসেছিলাম, চতুর্থ হতে নয়। 

 

অপরদিকে, এই তরুণ সুইডেন দলটি ২০২৩ বিশ্বকাপের জন্য সম্ভবনাময়ী একটি দল হিসেবে তাদের এবারের যাত্রা শেষ করল।

চলতি বিশ্বকাপে তাদের স্কোয়াডে ২৬ বছর বয়সী ও তার কম বয়সী খেলোয়াড়ের সংখ্যা ১৫ জন।