ফিফা ওমেন্স বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকরতম ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আমেরিকা

অ্যালেক্স মরগান তার ৩০ তম জন্মদিনে আমেরিকাকে সেমিফাইনাল জয়ের নেতৃত্ব দেন। আমেরিকা মঙ্গলবার রাতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কঠোর পরীক্ষায় ২-১ গোলে জয়ী হয়ে টানা তৃতীয় ও সর্বোচ্চ পঞ্চমবারের মত মহিলা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে।

ফ্রান্সের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে আমেরিকার হয়ে জোড়া গোল করা রাপিনো, হ্যামস্ট্রিংয়ের স্ট্রেইনের কারণে না থাকায় তার পরিবর্তে লাইনআপে ক্রিস্টেন প্রেসকে প্রতিস্থাপন করেছিলেন ইউএসএ কোচ জিল এলিস। তার নির্বাচন ম্যাচের ১০ম মিনিটেই লাভ দেয় যখন প্রেস কেলি ওহারার ক্রস থেকে লিড এনে দেন।

 

 

 

ম্যাচের পর রাপিনো বলেন,

 

হ্যাঁ, শুধু সামান্য ছোট্ট হ্যামস্ট্রিং স্ট্রেন। কিন্তু আমি মনে করি আমি ফাইনালের জন্য প্রস্তুত হব। এই বুড়ো শরীরের পক্ষে তিন দিনে মাঠে ফেরাটা কঠিন ছিল।

 

ইংল্যান্ডের প্রথম গোল হজম করাটি ছিল তাদের শেষ ৩৮০ মিনিটে হজম করা প্রথম গোল। কিন্তু তার ১০ মিনিটের মধ্যেই টূর্ণামেন্টের টপ স্কোরার এলেন হোয়াইট, বেথ মেডের ক্রসটিকে নিঁখুত ফিনিশিং করে গোলে পরিণত করলে ইংল্যান্ড তখনই খেলাতে ফিরে আসে।

 

 

লিন্ডসে হুরানের মাপা ক্রস থেকে পেনাল্টি এলাকায় একটি নিখুঁত হেডার ফিনিশিংয়ে ৩০ মিনিটের মাথায় এ্যালেক্স মরগান আবার আমেরিকাকে লিডে এনে দেন। সেই সাথে নিজের জন্মদিনে গোল করে যৌথভাবে ইংল্যান্ডের হোয়াইটের সাথে বিশ্বকাপের শীর্ষ গোলদাতাও হন মরগান।

 

 

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য হোয়াইট গোল করে খেলায় সমতা আনেন তবে ভিডিও পর্যালোচনা শেষে রেফারি ছোট্ট অফসাইড কল করলে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।

খেলার ৮১ তম মিনিটে আবারও সুযোগ আসে ইংল্যান্ডের সামনে। সেই সময়, পিচসাইড রেফারির পরামর্শে হোয়াইটকে ফাউলের জন্য আমেরিকাকে শাস্তি প্রদান করেছিল রেফারি।

 

 

আমেরিকার গোলরক্ষক নাহের আমেরিকার লিডকে রক্ষা করার জন্য বড় ভূমিকা রাখেন স্টিফ হাফটনের স্পট কিককে রক্ষা করে।

 

               হতাশ হাফটন (ডানে) ও হোয়াইট (বামে)

 

৮৬ তম মিনিটে মরিন ব্রাইটকে তার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয় যখন তিনি মর্গানকে হার্ড ট্যাকল করে বসেন।

 

 

প্রথম দল হিসেবে টানা তিনটি মহিলা বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছানো একমাত্র দল আমেরিকা। আমেরিকা ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত নরওয়ের করা টানা ১১ তম জয়ের রেকর্ডটিতেও ভাগ বসিয়েছে।

 

                        জন্মদিনে ম্যাচসেরা মরগান

 

৭ জুলাই চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য বুধবারের নেদারল্যান্ডস ও সুইডেনের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী দলের সাথে মোকাবিলা করবে আমেরিকা।