তপু বর্মনের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশের রামোসের ভূমিকায় অবতীর্ণ মাসিহ সাইঘানি

মৌসুমের শুরুতে বসুন্ধরা কিংসের হয়ে খেলার জন্য বাংলাদেশে আসেন জার্মান বংশোদ্ভূত আফগান ডিফেন্ডার মাসিহ সাইঘানি। নীলফামারিতে মালদ্বীপের ক্লাব নিউ রেডিয়েন্টের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে অভিষেকও হয় কিংসের জার্সিতে।

এরপর কেন জানি কিংসের চূড়ান্ত স্কোয়াডে আর জায়গা হয়নি সাইঘানির। সে সুযোগে ঢাকা আবাহনী সাইঘানিকে দলে ভেড়ায়। আবাহণীর জার্সিতে ঝড় তুলবেন বলেই হয়তো ধানমন্ডির জায়ান্টদের দলে নাম লেখান।

এএফসি কাপে গ্রুপ পর্ব আবাহণী শুরু করে নেপালের মানাং মার্সিয়াংদি ক্লাবের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচ দিয়ে। নেপালের অ্যাস্ট্রো টার্ফে সেই কঠিন পরীক্ষায় সাইঘানির ম্যাজিক্যাল হেড গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে ফেরে মারিও লেমোসের দল।

তারপর ঢাকায় ভারতীয় পরাশক্তি চেন্নাইয়ন এফসির বিপক্ষে পায়ের জাদু দেখান সাইঘানি। ডি-বক্সের ডান প্রান্তের কোণা থেকে দারুণ এক ফ্রি কিক গোলে দলকে সমতায় ফেরান। গুরুত্বপূর্ণ সেই ম্যাচে মামুনুল ইসলামের দর্শনীয় গোলে ৩-২ গোলে জয় পায় আবাহনী। সে ম্যাচে একটি অ্যাসিস্টও করেন এই আফগান।

 

 

পরের গল্প তো সবারই জানা। গোয়াহাটিতে মিনার্ভা পাঞ্জাবের বিপক্ষে ইনজুরি টাইমে রুদ্ধশ্বাস এক জয় এনে দেন সেই ম্যাজিক্যাল হেডের গোলে।

তিনি মূলত ডিফেন্ডার। ডিফেন্সে তার পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণ ইনজুরিতে পড়ার পর আবাহনীর ডিফেন্সে সাইঘানি ছিলেন অনন্য।

ডিফেন্সের নেতা আবাহনীকে এএফসি কাপের নক আউট রাউন্ডে উঠানোর অর্ধেক কৃতিত্ব নিশ্চয় ‘দ্যা কিলার’ সাইঘানিকে দিতেই হবে।