আবাহণীর সামনে সুযোগ বাংলাদেশের ফুটবলকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার

খারাপ সময়টাকে পেছনে ফেলে একটু একটু করে উঠে দাঁড়াতে শুরু করেছে রং হারানো ফুটবল। ২০১৮ তে কাতারকে হারিয়ে প্রথমবারের মত এশিয়ান গেমসের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠা। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দূর্ভাগ্যজনকভাবে সেমিতে না উঠতে পারলেও বঙ্গবন্ধু কাপের শেষ চারে ঠিকেই নাম লেখায় বাংলাদেশ। ২০১৯ সালটা জাতীয় দল শুরু করে জয় দিয়ে কম্বোডিয়াকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে। এরপর লাওসকে বিশ্বকাপ বাছাইপরের্বর প্রথম রাউন্ডে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে পা রাখে জামাল ভুঁইয়ারা।

জাতীয় দলের সাফল্যের ঢেউ যেন লেগেছে ক্লাব ফুটবলেও। ঢাকা আবাহনী দুর্দান্ত খেলছে এবারের এএফসি কাপে। রয়েছে সাউথ এশিয়া জোনের গ্রুপ শীর্ষে। আজ যদি আবাহনী গৌহাটিতে ভারতীয় ক্লাব মিনর্ভা পাঞ্জাবকে হারাতে পারে তাহলেই হবে ইতিহাস। প্রথমবারের মতো নাম লেখাবে নক-আউট পর্ব বা ইন্টার জোনাল ফাইনালের প্লে-অফে।

আবাহনীর পরের রাউন্ডে যাওয়ার সমীকরণঃ

গ্রুপ ই’তে ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট আবাহনীর। সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আরেক ভারতীয় ক্লাব চেন্নাইয়ন এফসি।

আবাহনী আজ বিকাল সাড়ে ৪টায় খেলবে মিনর্ভা পাঞ্জাবের বিপক্ষে। একই সময়ে নেপালে চেন্নাইয়ন এফসি মুখোমুখি হবে মানাং মারসিয়াংদি ক্লাবের। আবাহনী জয় পেলে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে পরের রাউন্ডে।

যদি আবাহনী ড্র করে আর চেন্নাইয়ন জিতে যায় সেক্ষেত্রে দু‘দলের পয়েন্ট সমান হবে। আবাহনীর-চেন্নাইয়ন দু‘দলই একবার করে জিতেছে হেড-টু-হেড লড়াইয়ে। কিন্তু চেন্নাইয়ন তাদের অ্যাওয়ে ম্যাচে আবাহনীর কাছে ৩-২ গোলে হারলেও ওই ২ গোলের সুবাদেই চলে যাবে পরের রাউন্ডে। আবাহনী অ্যাওয়ে ম্যাচে চেন্নাইয়ন এফসির কাছে হেরেছিলো ১-০‘তে।

 

 

বাংলার ধূসর ফুটবলে রঙিন পতাকা উড়িয়েছেন জামাল-রবিউলরা। আজ আবাহনীর জার্সিতে মামুনুল-সাদ উদ্দিনদের দায়িত্ব রঙিন পতাকাটাকে আরো রঙিন করে তোলার। এগোতে থাকা ফুটবলটা আরেকধাপ এগিয়ে যাবে।