স্বাগতিকদের হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

লর্ডসে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে ৬৪ রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

জেসন বেরেনড্রোফ(৫) আর মিচেল স্টার্ক(৪) দুজনে মিলে নিয়েছেন ৯ উইকেট। বাকি উইকেটটি স্টয়েনিসের। ১৯ উইকেট নিয়ে সেরা উইকেট সংগ্রাহক এখন স্টার্ক।

এই দুই পেসারের দাপুটে বোলিংয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়ার।

২৮৬ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে অজি পেসারদের আগুনঝড়া বোলিংয়ে পুরোপুরি ব্যর্থ ইংলিশ টপ অর্ডার। ০ রানে ভিন্স, ৮ রানে জো রুট আর ১২ রানে মরগ্যান ফিরলে ২৩ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। ২৭ রানে ওপেনার ব্যারিস্ট্রো ফিরলে, ৫৩ রানে ৪ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড।

স্টোকস – বাটলারের ৭১ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু ২৫ রানে বাটলার ফিরেন স্টার্কের শিকার হয়ে।

৬ষ্ঠ উইকেটে স্টোকস – ওকস ৫৩ রানের জুটিতে ম্যাচ জয়ের দিকেই এগুছিলো স্বাগতিকরা। কিন্তু স্টার্কের, দুর্ধর্ষ এক ইয়র্কারে ৮৯ রান করা বেন স্টোকস আউট হলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে ইংল্যান্ড।

এরপর অজি পেসাররা দ্রুত বাকি উইকেট তুলে নিলে সহজ জয় পায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

আবারো দুরন্ত শুরু করেও বড় সংগ্রহ করতে ব্যর্থ অস্ট্রেলিয়া। ওয়ার্নার – ফিঞ্চের জুটির সময় যেখানে সহজেই তিনশ পার করে বড় সংগ্রহের কথা ভাবছিল অজিরা, সেখানে শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারিয়ে তিনশ পেরুতে পারেনি বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

ব্যাটিংয়ে নেমে দূর্দান্ত শুরু করে অজি দুই ওপেনার। চলতি বিশ্বকাপে টানা ৬ বার ৫০+ পার্টনারশিপ করে রেকর্ড করেন ফিঞ্চ – ওয়ার্নার। প্রথম উইকেট জুটিতে আসে ১২৩ রান।

৫৩ রান করে মঈন আলীর বলে ওয়ার্নার আউট হলেও, চলতি বিশ্বকাপে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন অধিনায়ক ফিঞ্চ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটি ফিঞ্চের সপ্তম শতক। তবে আজ সাকিবকে টপকে আবারো সেরা রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষে উঠেছেন ডেভিড ওয়ার্নার (৫০০ রান)।

কিন্তু শেষ দিকে দ্রুত উইকেট পতনে ছন্দপতন ঘটে অজি ইনিংসে। খাজা ২৩, স্মিথ ৩৮, ম্যাক্সওয়েল ১২, স্টয়েনিস ৮, কামিন্স ১ রানে ফিরেছেন। ২৭ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত ছিলেন অ্যালেক্স ক্যারি।

৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৫ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া।

ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিস ওকস ২ টি, জোফরা, আর্চার, মঈন আলী, মার্ক ওড, বেন স্টোকস ১ টি করে উইকেট নেন।

Share:

Author: Tonmoy Bhowmick