বাংলাদেশেও তো বৃষ্টি হয়!! ম্যাচ তো পন্ড হয়না। রহস্য কি?

অনেক ফুটেজ ঘেটেও মিরপুর স্টেডিয়ামের বৃষ্টির পর কিভাবে পানি নিস্কাশন সিস্টেম কাজ করে সেটার কোন ভিডিও খুজে পেলাম না।

বেশ কিছু ম্যাচ কাভার করেছিলাম অামি যে ম্যাচগুলোতে মাঝে বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ ছিল। একবার মনে আছে 2013 সালে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে হ্যাট্রিক করেছিল রুবেল!! সে ম্যাচে মাঝে খুবই বেশি বৃষ্টি ছিল। টানা ৩ ঘন্টা ঝুম বৃষ্টি।

বেশিরভাগই যখন ম্যাচ হবেনা বলে মনে করেছে তখন ৪০ মিনিটের মত কাজ করে ম্যাচ খেলার মত মাঠ ঠিকঠাক করে ফেলে মাঠ কর্মীরা। পুরো মাঠই বৃষ্টির সময় কাভার দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছিলো যে কারনে বৃষ্টি মাঠের তেমন কোন প্রভাবই ফেলতে পারিনি।

বিপিএলের গতবারের আগেরবারের আসরেও একটা ম্যাচে ২ ঘন্টার বেশি সময় অস্বাভাবিক বৃষ্টি থাকবার পরও পুরো মাঠ ঢেকে ফেলায় দারুন নৈপুণ্য দেখাই বিসিবির মাঠের কর্মীরা।

সেখানে বিশ্বকাপের মত বড় আসরে মাঠের পিচ ছাড়া আর কিছুই ঢেকে রাখতে পারেইনি ইংল্যান্ড ক্রিকেট অার আইসিসি। ফলাফল একের পর এক ম্যাচ পন্ড।

২ থেকে ৩ সেমি বৃষ্টিপাতও যেখানে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলো পরিত্যক্ত হতে দেইনি সেখানে মাত্র ১ মিলি মিটার বৃষ্টিতেও ম্যাচ শেষ হয়ে যাচ্ছে ইংল্যান্ডে। ১৯ টা ম্যাচের ৪ টা ম্যাচ যখন বৃষ্টিতেই নষ্ট হয় সেখানে বিশ্বকাপের মজাটা ঠিক কোথায় থাকে?

প্রযুক্তি থাকলেই যে সবকিছু ঠিকঠাক করা যাইনা তা দেখাচ্ছে ইংল্যান্ড। একইভাবে একাগ্রতা, ইচ্ছা আর পরিকল্পনার মাধ্যমেই যে একটা খেলা মাঠে গড়ানো যায় তা করে দেখিয়েছে বাংলাদেশ।

বিসিবিকে ধন্যবাদ দিতেই হয়!! আইসিসি জেনেশুনে কিভাবেই বা এমন প্রস্তুতি রাখলেন সেটাই বোধ্যগম্য না। ব্যাপারটা অনেকটা শুন্য কলসির মত।

মাঠের বাইরে সবই আছে শুধু মাঠের খেলাটাই হচ্ছেনা এবারের বিশ্বকাপে।

Share:

Author: Wahed Murad

I am passionate for sports , specially in cricket and so i'll do my best to development of sports. I'm also teaching English language and trained at web design and development with fine web arts.