টান টান উত্তেজনার ম্যাচে হট ফেবারিট ইংল্যান্ডকে হারালো “আনপ্রেডিক্টেবল” পাকিস্তান

ট্রেন্টব্রিজে ইংল্যান্ডকে ১৪ রানে হারিয়েছে পাকিস্তান।

রুট-বাটলারের সেঞ্চুরির পরও জিততে পারেনি স্বাগতিকরা। প্রথম ম্যাচে বাজেভাবে হারার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে পাকিস্তান।

পাহাড়সম টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। দলীয় ১২ রানে ৮ রান করে আউট হন ইনফর্ম জেসন রয়। দলীয় ৬০ রানে ফিরেছেন ব্যারিস্ট্রো ফিরেছেন ৩১ রানে। ৮০ রানে ৯ রান করা মরগ্যানও দ্রুতই ফিরে যান। ১১৮ রান স্টোকস আউট হলে চতুর্থ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড।

৬ষ্ঠ উইকেটে ১৩০ রানের জুটি গড়েন রুট – বাটলার জুটি। এই জুটিতে জয়ের পথেই হাটছিল ইংল্যান্ড। রুট এই বিশ্বকাপে প্রথম শতক তুলে নেন ৯৭ বলে। ১০৪ বলে ১০ চার আর ১ ছয়ে ১০৭ রান করে শাদাব খানের বলে আউট হন রুট। ৭৬ বলে ১০৩ করে বাটলার আউট হন আমিরের বলে।

মঈন আলী, ক্রিস ওকসরা ব্যর্থ হলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে ইংলিশরা।

শেষ দিকে আমির, ওয়াহাব রিয়াজের দারুণ বোলিংয়ে টান টান উত্তেজনার ম্যাচে জয় তুলে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের হয়ে রিয়াজ ৩ টি, আমির,সাদাব ২ টি এবং হাফিজ,মালিক ১ টি করে উইকেট নেন।

দিনের শুরুতে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করে পাকিস্তানের দুই ওপেনার। উদ্ভোদনী জুটিতে আসে ৮২ রান। মঈন আলীর বলে স্টাম্পিং হয়ে ৩৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরেন ফখর জামান। আরেক ওপেনার ইমাম-উল-হক ফিরেছেন ৪৪ রান করে মঈন আলীর বলেই।

তৃতীয় উইকেটে ৮৮ রান আসে বাবর – হাফিজ জুটিতে। ৪ চার আর ১ ছয়ে ৬৩ রান করে মঈন আলীর ৩য় শিকার হয়েছেন বাবর আজম। ৮ চার আর ২ ছয়ে ৬২ বলে দলীয় সর্বোচ্চ ৮৪ রান করে মার্ক উডের বলে ফিরেছেন হাফিজ।

৫ চারে ৪৪ বলে ৫৫ রান করেন অধিনায়ক সরফরাজ। শেষ দিকে দ্রুত উইকেট পড়লে ৩৫০ ছাড়াতে পারেনি পাকিস্তান।

বল হাতে মঈন আলী,ক্রিস ওকস ৩ টি, মার্ক উড ২ টি করে উইকেট নেন।

পাকিস্তানঃ ৩৪৮/৮(৫০ ওভার) হাফিজ ৮৪, সরফরাজ ৫৫, ইমাম ৪৪; মঈন আলী ৩/৫০,ক্রিস ওকস ৩/৭১, মার্ক উড ২/৫৩

ইংল্যান্ডঃ ৩৩৪/৯(৫০ ওভার) রুট ১০৭, বাটলার ১০৩ ; রিয়াজ ৩/৮২, সাদাব ২/৬১, আমির ২/৬৭

Share:

Author: Tonmoy Bhowmick