অযত্নে অবহেলাই অকালেই হারিয়ে যেতে বসেছে যশোরের ফুটবল প্রতিভা আরিফ

২০১৬ সালে মালয়েশিয়াতে অনুষ্ঠিত মক কাপের প্লেট পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো বাংলাদেশ। সেই দলের একজন খেলোয়াড় এই আরিফ।

 

 

এরপর সে খেলেছিলো সাফ-১৫ ও কাতারে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল টূর্নামেন্টেও। তিন বার বয়স ভিত্তিক বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানোর সুযোগও পেয়েছিলো আরিফ। পুরস্কার হিসেবে ১ বার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার স্বরূপ ১ লাখ টাকাও পেয়েছিলো সে।

 

 

ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। কিছুদিন আগে যশোরে প্র্যাকটিসের সময় হঠাৎ পড়ে গিয়ে ডান পায়ের লিগামেন্টের গুরুত্বপূর্ন অংশ এসিএল ও মিনিসকাস ছিঁড়ে গেছে হতভাগা আরিফের।

প্রধানমন্ত্রীর কাছ হতে পাওয়া ১ লাখ টাকা দিয়ে বাবার জন্য ইজি বাইক কিনে দিয়েছিলো আরিফ। সেখানেও দূর্ভাগা সে। ইজি বাইক রেখে নামাজে যাওয়ার পর ফিরে এসে আর সেটি পায়নি আরিফের বাবা!

সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির এমন দূর্ঘটনায় দিশেহারা আরিফের পরিবার। এরই মধ্যে ডান পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে দারুন প্রতিভাবান মিডফিল্ডার আরিফ এখন চোখে মুখে সর্ষে ফুল দেখছে।

কথা হয় আরিফের সাথে। আরিফ জানায়, প্রাকটিসে একবার ইনজুরি আক্রান্ত হলে কিছুদিন বিশ্রাম নিয়ে আবার খেলা শুরু করে। পরে আবার সেই জায়গাতে আবারও আঘাত পায় সে।

ঢাকার একটি হাসপাতালে এমআরআই করার পর এ্যাপেলো হাসপাতালের ডাঃ নন্দকুমারকে রিপোর্ট দেখালে উনি অপারেশন করানোর পরামর্শ দিয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই লাখ টাকার দরকার অপারেশনের। কিন্তু ইজি বাইক চালক বাবার পক্ষে এই টাকা যোগাড় করা কোন পক্ষেই সম্ভব না।

তাহলে কি হবে আরিফের, অকালেই কি হারিয়ে যাবে এই ফুটবল প্রতিভা। আরিফ আবার মাঠে ফিরতে চায়। এজন্য সকলের সাহায্য-সহয়োগিতা চেয়েছে আরিফ।