সেঞ্চুরি না পাওয়া মুশফিক ও কোন রান করে আউট হওয়া লিটন দাসের উইকেট যেন বড় আক্ষেপ।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাকিবের অনুপস্থিতি যেন অধিনায়কত্বের দরজা খুলে গিয়েছে রিয়াদের। অধিনায়ককে ভুল প্রমাণ করেননি দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। দু’জনের লঙ্কান বোলারদের বিপক্ষে ভালোভাবেই শুরু করেছিলেন।

ওয়ানডেতে দারুণ ফর্মে থাকা তামিমও ছিলেন বেশ ওয়ানডে মেজাজি। নিজের ফিফটিও তুলে নেন বেশ দ্রুত। তবে দলীয় ৭২ দিলরুয়ান পেরেরার বলে মারতে এসে বোকা বনে যান তামিম (৫২)। মুমিনুলকে সঙ্গে নিয়ে আরেক ওপেনার কায়েসও বেশ ভালো খেলছিলেন তবে প্রথম সেশনের শেষ বলে সান্দাকানের বলে এল্বিডাব্লিউয়ের শিকার হন তিনি।

প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১২০। তবে দ্বিতীয় সেশন যেন আরও ভালো কাটে দলের। আগের টেস্ট সিরিজেও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করা মুশফিকুর রহিম খেলেন স্পেশালিষ্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে। মমিনুলকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় সেশনে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যভাবে ব্যাটিং করেন মুশফিক। দ্বিতীয় সেশনে বল হাতে পাত্তাই পাননি শ্রীলঙ্কার বোলাররা। দ্বিতীয় সেশনে মুমিনুল তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৫ম শতক।

প্রথম সেশনে তামিম-কায়েস-মুমিনুলরা ১২০ রান তুললেও দ্বিতীয় সেশনে মুশফিক-মুমিনুল তুলেন ১৩০ রান। তৃতীয় সেশনে প্রথম দিকদিয়ে মুশফিক-মুমিনুল দিন শেষ করবে বলে মনে হলেও নতুন বলে ৮৪তম ওভারে লাকমালের বলে সাজঘরে ফিরেন যান ৯২ রান করা মুশফিক। তারপরের কোন রান না করেই সাজঘরে ফিরেন লিটন দাস।

তবে দিনের বাকি ৬ ওভার যেন ভালোভাবেই ব্যাট করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ও মুমিনুল। ৯ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। অন্যদিকে ১৭৫ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে দিনশেষ করেন মুমিনুল। শ্রীলঙ্কার হয়ে প্রথম দিনে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট পান লাকমাল। প্রথম দিনশেষে বাংলাদেশ ৩৭৪ করলেও শেষ বিকেলে ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরি না পাওয়া মুশফিক ও কোন রান করে আউট হওয়া লিটন দাসের উইকেট যেন বড় আক্ষেপ।

Author: Wahed Murad

I am passionate for sports , specially in cricket and so i'll do my best to development of sports. I'm also teaching English language and trained at web design and development with fine web arts.