নিষিদ্ধের দিক থেকে হ্যাট্রিক পূর্ন করলেন হাফিজ

Hafeez

নিয়ম অনুযায়ী, বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে আইসিসির অনুমোদিত পরীক্ষাগারে হাফিজের বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করা হয়। সেখানে তার বেশিরভাগ বোলিংয়েই ত্রুটি ধরা পড়ে। ১ নভেম্বর ইংল্যান্ডের লাফবোরো ইউনিভার্সিটিতে অ্যাকশন পরীক্ষা দেন হাফিজ। এরপর পরীক্ষার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হাফিজের বেশিরভাগ ডেলিভারিতেই ১৫ ডিগ্রির বেশি কনুই বেঁকে যায়। এর ফলে অবৈধ হিসেবে গণ্য হয় তার বোলিং অ্যাকশন।

এর আগে ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো প্রশ্নবিদ্ধ হয় হাফিজের বোলিং অ্যাকশন। অবশ্য সেটি দেশটির ঘরোয়া আসর পাকিস্তান সুপার লিগ- পিএসএলে। ঐ বছরেরই নভেম্বর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রশ্নবিদ্ধ হয় তাঁর বোলিং অ্যাকশন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে তাঁর অবৈধ বোলিং দেখে আম্পায়াররা রিপোর্ট করায় দিতে হয় অ্যাকশনের পরীক্ষা। তাতে অবৈধ অ্যাকশনের কারণে নিষিদ্ধ হন বোলিংয়ে।

২০১৫ সালের এপ্রিলে নিজেকে শুধরে আবারও অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন। সাফল্যের সাথে উতরেও যান। কিন্তু দুই মাস পরই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ হয় তার বোলিং। বোলিং অ্যাকশন প্রমাণিত হয় অবৈধ। এক বছরের মধ্যে দু’বার অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় ১২ মাসের নিষেধাজ্ঞা পান।

প্রায় ১৬ মাস পর আবারও বোলিংয়ের অনুমতি পান অ্যাকশন শুধরানো হাফিজ। কিন্তু এরপর বছর ঘুরতেই আবারও আতশ কাঁচের নিচে যেতে হয় তাকে। এবার আগের মতোই নিষিদ্ধ হতে হয়েছে আবার!

ক্রিকেট-বিশ্বে তিনি পরিচিত অলরাউন্ডার হিসেবে। তবে চাইলে মোহাম্মদ হাফিজের নামের সামনে থেকে অলরাউন্ডার সত্ত্বা বাদ দেওয়াই যায়। পাকিস্তানের ক্রিকেটার যে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন তার সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের জন্য! শুধু তা-ই নয়, প্রশ্নবিদ্ধ বোলিং অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় বোলিং থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তাকে। এই নিয়ে তিনবার ত্রুটিযুক্ত বোলিং অ্যাকশনের জন্য নিষিদ্ধ হলেন তিনি। তাও তিনবারই অবৈধ অ্যাকশনের দাবি উঠেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে!

Author: Wahed Murad

I am passionate for sports , specially in cricket and so i'll do my best to development of sports. I'm also teaching English language and trained at web design and development with fine web arts.