fbpx

অধিনায়কত্বের অগ্নিপরীক্ষার দিন ব্যর্থ মরগানের কলকাতা

অধিনায়কত্বের প্রথম দিনে মিলিয়ন ডলার মূল্যের টস ভাগ্যটাও মরগানের সাথেই ছিল। ব্যাট হাতে প্রতিকূলতা টপকে কিছু রানও এনে দিলেন দলকে। কিন্তু ব্যাট হাতে টপ অর্ডারের ব্যার্থতা আর রংহীন বোলারদের কল্যাণে অধিনায়কত্বের মঞ্চটা রাঙাতে পারলেন না মরগান। মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে ৮ উইকেটের হার নিয়েই মাঠ ছেড়েছে তার দল।

ব্যাটিংয়ে মনোনিবেশ করতে পয়েন্ট তালিকার ২য় সেরা দল মুম্বাইয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অধিনায়কত্ব ছাড়েন কার্তিক। যা নিয়ে রীতিমতো বিস্মিত মরাগানও। সেই কার্তিকও ব্যাট হাতে আরও একবার ব্যর্থ। মাত্র ৪ রান করেই বোল্ড হয়েছেন রাহুল চাহারের বলে। আগের ম্যাচের নায়ক ত্রিপাঠি ফিরলেন ৭ রানে। ওপেনিংয়ের ভরসা সুবমান গিল বেশিদূর যেতে পারলেন না (২১)। নিতিশ রানার সাথে সাথে এদিন ব্যাটিং অর্ডারে আগে ভাগে এলেও কিছুই করতে পারলেন না আন্দ্রে রাসেলও। কামিন্সের প্রথম টি-২০ অর্ধশতক আর অধিনায়কের ৩৯ রানে ১৪৮ রানের বেশি করতে দেননি মুম্বাইয়ের বোলাররা।

বল করতে নেমে কলকাতা অধিনায়কের নেতৃত্বও ছিল আতস কাচের নীচে। শক্তিশালী মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ব্যাটিংকে মুড়িয়ে দিয়ে ম্যাচ বের করতে হলে দ্রুত উইকেট তুলতে হতো কলকাতার বোলারদের। কিন্তু পারলেন না কামিন্সরা।

অস্ত্রাগারের সেরা অস্ত্রদের ব্যবহার করতে হতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে। ক্রিস গ্রিন ও কামিন্সকে দিয়ে শুরুটা ঠিকই করেছিলেন বিশ্বসেরা অধিনায়ক। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল আসেনি। প্রসিধ কৃষ্ণা, রাসেল, বরুণ চক্রবর্তীকে আক্রমণে এনে আঘাত হানতে চেয়েছিলেন মুম্বাই দূর্গে। কিন্তু রোহিত শর্মা ও কুইন্টন ডি-ককের দুর্ভেদ্য প্রাচীরে ফাটল ধরাতে পারেনি কেকেআর। এ দুজনের ব্যাটিংয়ে ম্যাচ থেকে ক্রমশ ছিটকে যেতে থাকে কলকাতা।

হতাশ দুই অধিনায়ককেই চোখে পড়েছে এদিন। ছবিঃ ইন্টারনেট।

শিভাম মাভি বল হাতে এলেন ১০ম ওভারে। ফেরালেন রোহিতকে(৩৫)। কিন্তু ততক্ষনে যা হবার তা হয়েই গিয়েছিল। পরপরই বরুণের বলে সূর্যকুমার ফিরলেও বাকি কাজটুকু সেরে আসেন কুইন্টন ডি-কক আর হার্দিক পান্ডিয়া। ম্যাচের নায়ক ডি-কক অপরাজিত থাকেন ৭৮ রানে। ১১ বলে হার্দিকের ২১ রান গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে নিট রান বাড়াতে। এ জয়ে আবারও পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেছে রোহিতরা।

  গাইকোয়াদের ব্যাটিং নৈপুণ্যে আরসিবির বিপক্ষে সহজ জয় চেন্নাইয়ের

ম্যাচ শেষে কলকাতা অধিনায়ক স্বীকার করে নিলেন, তাঁরা এ দিন কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই মুম্বাইকে ধরাশায়ী করতে চেয়েছিল কলকাতা। কিন্তু মুম্বই ব্যাটসম্যানরা সেই সুযোগটা দেননি। তাই অধিনায়ক হিসেবে পথচলাটা একদমই সুখকর হল না মরগানের।