fbpx

কেন ভারতীয় ক্রিকেটে রহস্যময় নির্বাসিত করা হয়েছিলো রমেশকে?

ভারতীয় ক্রিকেটের এক রহস্যের নাম শাদাগোপ্পান রমেশ। হঠাৎ উত্থানের পর রহস্যজনক ভাবে দল থেকে বাদ পরে আর কখনোই দলে ফিরতে পারেননি তিনি। অসময়ে অবসরও নিয়ে নেন তিনি।

১৯৯৯ সালের চেন্নাই টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে ডেব্যু হয় তার। পাকিস্তান অবজারভার এর শিরোনাম ছিল সেদিন ঠিক এমন, “ওয়াকার-ওয়াসিম কে নিয়ে ছেলেখেলা করেছে রমেশ।” ঐ ঐতিহাসিক সিরিজে দুইটি সেঞ্চুরি করেন তিনি। দুই বছরের ক্যারিয়ারে একবারই তাকে উপমহাদেশের বাইরে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল যেখানে তিনি মাত্র একবার সিঙ্গেল ডিজিটের স্কোর করেছিলেন। এত দারুণ রানে থাকবার পরও কেন তাকে ছেটে ফেলতে হয়েছিল সেটা এক রহস্য।

২০০১ সালের দারুণ এক শ্রীলঙ্কা সফর কাটানোর পর তাকে আর কখনও দলে ডাকা হয়নি। ১৯ টি টেস্টে ৮ বার ফিফটি আর ২ টি সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। সে তুলনায় ওয়ানডেতে বেশ ফিকে ছিলেন তিনি। ২৪ ম্যাচে ২৮ অ্যাভারেজ যদিও কম না ২০০০ সালের পরিপ্রেক্ষিতে।

তবে মনে করা হয় শচীন টেন্ডুলকার কিংবা রাহুল দ্রাবিড়দের সুযোগ করে দিতেই রমেশকে আর দলে রাখা হয়নি। রমেশের কারণে লক্ষন, দ্রাবিড়, টেন্ডুলকার এই তিনজনের একসাথে পজিশন ঠিক করে খেলা নিয়ে সংকট হবার সম্ভাবনা ছিল যে কারণে তুলনামূলক কম পারফরম্যান্স করেও দল থেকে অঘোষিত নির্বাসনে চলে যান তিনি। এমনকি ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে নিয়মিত ৫০ এর মত গড়ে ব্যাট করেও কখনও ভারতের এ দলেও ডাক পাননি রমেশ। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই নাকি রমেশের জায়গা হয়নি ভারতের দলে, কিন্তু রমেশের বয়স ছিল বাদ পড়ার সময় মাত্র ২৫। সুযোগটা তিনিও পেতে পারতেন!

এমনকি তিনি কোনরকম ঘোষণা ছাড়াই অবসর নিয়ে ছিলেন এবং তামিলনাড়ু সংবাদমাধ্যমে বেশ আলোচিত বিষয় ছিল তার রহস্যজনক ভারতীয় দলে নির্বাসনের ব্যাপারটি এবং পরবর্তীতে বোর্ড কোন রকম কোন সম্পর্কই রাখেনি রমেশের সাথে।

রহস্য আসলে সবখানেই, কারও কারও বড় বড় তারকাখ্যাতির পিছনে লুকিয়ে থাকে এরকম অনেকের অশ্রু ভেজা চাপা কান্নার গল্প যেগুলো কখনও প্রমাণিত বা প্রকাশিত হয়না।