fbpx

শান্ত-মুশফিকদের হারিয়ে টুর্নামেন্ট জমিয়ে তুললো তামিমরা

সেঞ্চুরি করেও দলকে জেতাতে পারলেন না মুশফিক।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের তৃতীয় ম্যাচে নাজমুল একাদশের বিপক্ষে ২২১ রানের সংগ্রহ গড়েও ৪২ রানের বড় জয় তুলে নিয়েছে তামিম একাদশ। সতীর্থ ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় বৃথা গেছে মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, দারুণ বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়েছেন মুস্তাফিজরা।

২২২ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরুতেই ফিরে যান সাইফ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্ত, দলীয় ৩০ রানে ফিরে যান সৌম্য সরকারও। প্রথমে তরুণ আফিফ হোসেন ধ্রুবকে সাথে নিয়ে ৩৪ রান যোগ করেন মুশফিকুর রহিম, তবে শরিফুল ইসলামের শিকার হওয়ার আগে ২৭ বলে ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি আফিফ। তৌহিদ হৃদয়কেও ৪ রানে ফেরান তরুণ পেসার শরিফুল, ইরফান শুক্কুর আজও দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান।

তবে স্বপ্নটাকে বাস্তবে রূপান্তর করতে পারেননি তিনি, ২৪ রান করে রান আউটে ফিরে যান ইরফান শুক্কুর। মূলত তার আউটেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় নাজমুল একাদশ, শেষ দিকে মুশফিকুর রহিম সেঞ্চুরি তুলে নিলেও শরিফুল ইসলামের বোলিং তোপে পড়ে ১৭৯ রানেই অলআউট হয়ে ৪২ রানে হেরে যায় নাজমুল একাদশ। শরিফুল ইসলাম ৩৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন, দুর্দান্ত বোলিং করা মুস্তাফিজুর রহমান ৮ ওভারে ২ মেইডেনে ১৫ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট।

টসে হেরে এদিনও ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নাজমুল একাদশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ফিরে যান আগের ম্যাচে তামিম একাদশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করা তানজিদ হাসান তামিম। আল-আমিন হোসেনের বলে মুকিদুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৫ বলে ৮ রানে ফিরেন তানজিদ, এনামুল হক বিজয়কে নিয়ে ৩০ রান যোগ করেন তামিম ইকবাল।

দারুণ ছন্দে থাকা তাসকিন আহমেদ বলে ১২ বলে ১৩ রানে আউট হন বিজয়, ৪ রান করা মোহাম্মদ মিথুনকে বোল্ড করে ফেরান নাঈম হাসান। ৪৫ বলে ৪ টি চারে ৩৩ রান করে নাঈম হাসানের দ্বিতীয় শিকার হন তামিম ইকবাল, দলীয় ৬৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে তামিম একাদশ।

  ফাইনালে টসে জিতে বোলিং নিয়েছে মাহমুদুল্লাহ্

শাহাদাত হোসেন দিপু ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ৪০ রানের পার্টনারশিপ ভাঙেন রিশাদ হোসেন, ৪৬ বল খেলে ১২ রান করেন মোসাদ্দেক। আকরব আলী ২, দিপু ৩১ ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ৩ রানে আউট হলে ১২৫ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে অল্পতেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে যায় তামিম একাদশ।

তবে নবম উইকেটে তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ৯৫ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মাহেদি হাসান, শুরুতে দেখেশুনে খেললেও সময়ের সাথে বিধ্বংসী হয়ে ওঠে মাহেদি। তাইজুলের যোগ্য সাপোর্টে শেষ দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন তিনি, ৫৭ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৮২ রানে মুকিদুলের বলে ইনিংসের শেষ ওভারের ফিরে যাচ্ছেন ততক্ষণে তামিম একাদশ বিপর্যয় কাটিয়ে লড়াই করার মতো পুঁজি পায় দলটি।

তাইজুল ইসলাম ৪৩ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন, নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ২২১ রানের সংগ্রহ পায় তামিম একাদশ।