fbpx

মেহেদী-তাইজুলে ২২১ রানের লড়াইয়ের পুজি তামিমদের

শুরুর ব্যাটিং ধ্বসকে এভাবে দারুন একটি জায়গাতে নিয়ে যেতে পারলেন কিভাবে সেটি বরং এক বিষ্ময়ের জায়গা । লোয়ার অর্ডার এ ব্যাট করতে নামা শেখ মেহেদী হাসান , ৫৭ বলে করেছেন ৮২ রান। ১৫০ রান হওয়া যেখানে কঠিন সেটা এখন ২২১ রানে গিয়ে থামলো । নবম উইকেটে ৯৫ রানের পার্টনারশিপে দারুন একটি ফাইটিং স্কোর দাড় করিয়েছে তামিম ইকবাল একাদশ। দারুন সাপোট দিয়েছেন তাইজুল।

এর আগে মাস্ট উইন ম্যাচে দুই তামিম এর শুরুটা যেন দুই তামিম এর দুই প্রজন্মের প্রতিচ্ছবি। ছোট তামিমের অতি মাত্রায় আক্রমনাত্বক ভাব টেকেনি খুব বেশি সময়, ক’টা পরপর বাউন্ডারির পরই আউট হন আল আমিনের বলে। এরপর নামেন নিজেকে প্রতিনিয়ত খুজতে থাকা আনামুল হক বিজয়। দারুন শুরুর পর সেও কাটা পরেন তাসকিন এর বলে, শুরুতে যেন দেখা যাচ্ছিলো সেই পুরনো বিজয়ের ছাপ। একটা শট বলও ছাড় না দেবার মানষিকতা আরকেবার মনে করিয়ে দিচ্ছিলো তামিম-বিজয়ের সেসব স্মরণীয় জুটিগুলোকে।

এরপর মিথুন এস থিতু হবার চেষ্টা করেন সবার আগে। কিন্তু ৪ রান করার পর নাইম এর বলে আউট হয়ে ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন তিনিও। ৬০ রানে ৩ উইকেট নাই তামিম একাদশের। ৩৩ করে আউট হয়ে যান তামিমও।এরপর ৩৩ বল ঠেকিয়ে 12রান করে আউট হয়ে যান মোসাদ্দেক। এরপর আকবর আলী নেমে ০ রানেই বেশ কয়েকবার আউট হবার সম্ভাবনা তৈরী করে  ২ রানেই আউট হয়ে যান তিনি। আরেকপ্রান্ত ৫০ বলে ৩১ রানে তখন অপরাজিত দিপু। কিন্তু অপরাজিত থেকে পরাজিত হতে আর মাত্র দুই বল খরচা করলেন তিনিও। ৩১ করে রিশাদের বলে শট ফাইন লেগে ক্যাচ তুলে দিলেন তিনি।

৩৫ ওভার শেষ হতে হতে ১২৫ রানে আট উইকেটের পতন। তখন আউট সাইফুদ্দিনও।এরপরে শেখ মেহেদী হাসানের দারুন ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান উঠতে থাকে তামিমদের। ৪০ ওভার ৩ বলে ১৫৪ রান করার পর বৃষ্টি নেমে আসে।

  ফাইনালে টসে জিতে বোলিং নিয়েছে মাহমুদুল্লাহ্

স্কোর কার্ড: ( বিসিবি )