fbpx

পুরো আইপিএল জুড়ে ২০ হাজারেরও বেশি বার করা হবে কোভিড-১৯ পরীক্ষা

আইপিএল ২০২০ চলাকালীন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ২০ হাজারেরও অধিক বার করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হবে। টুর্নামেন্টের মেডিকেল পার্টনার বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছে বিষয়টি। ভারতের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নাজুক হওয়ায় বিসিসিআই সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের পরিবর্তে অন্য কোন দেশে আইপিএল আয়োজন করার। অবশেষে বেছে নেওয়া হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে।

আটটি ফ্র‍্যাঞ্চাইজি দলের প্রায় ২০০ জন খেলোয়াড় গত মাসেই পৌছে যান দুবাইয়ে। সেখানে তাদের কয়েকটি হোটেল কক্ষে রাখা হয় ৬ দিনের বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইনে। দুবাই পৌছানোর পর ৩ দফায় করা হয় তাদের করোনা ভাইরাস পরীক্ষা। প্রত্যেকবার ফলাফল নেগেটিভ প্রাপ্তরাই চুড়ান্ত দলের সাথে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

একই নিয়মাবলী সাপোর্টিং স্টাফ, আম্পায়ার, বিসিসিআই কর্মকর্তাবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের জন্য প্রযোজ্য হয়েছে। যার সংখ্যাও একত্রে কয়েকশোর ঊর্ধ্বে।

টুর্নামেন্টের আবুধাবি ভিত্তিক সরকারী মেডিকেল পার্টনার ‘ভিপিএস হেলথ কেয়ার’ বুধবার জানিয়েছে যে এ পর্যন্ত ৩,৫০০ করোনা ভাইরাস পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। “টুর্নামেন্ট চলাকালীন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা ২০ হাজারেরও বেশি পরীক্ষা করবো।” ভিপিএস হেলথ কেয়ার একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন এএফপিকে।

এর আগে চেন্নাই সুপার কিংসের দুই খেলোয়াড় এবং ১১ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কোভিড-১৯ ফলাফল পজিটিভ হওয়ায় দুশ্চিন্তার মুখে পড়েছিল আইপিএলের ভবিষ্যৎ। অবশেষে সব শঙ্কা উড়িয়ে চলতি মাসের ১৯ তারিখ নির্দিষ্ট সময়েই মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায় আছে মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই টুর্নামেন্ট।

সিনিয়র ব্যাটসম্যান সুরেশ রায়না এবং অভিজ্ঞ স্পিনার হরভজন সিং সহ চেন্নাইয়ের দুই খেলোয়াড় ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নিজেদের নাম তুলে নিয়েছেন আইপিএল থেকে। যদিও বিভিন্ন মহলের খবর তারা করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়েই নাম প্রত্যাহার করেছেন।

সতর্কতার অংশ হিসেবে টুর্নামেন্ট চলাকালীনও প্রতি সাত দিন অন্তর অন্তর টুর্নামেন্ট সংশ্লিষ্ট সবাইকে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হবে। যেটি সবমিলে ২০ হাজারেরও অধিক।