fbpx

মিরপুরে ‘বায়োসিকিউর বাবল’ গড়ে তুলেছে বিসিবি

করোনা মহামারি পরবর্তী ক্রিকেটে ফেরার মূল শর্ত হলো ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা। যেটার সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো ‘বায়োসিকিউর বাবল’ গড়ে তোলা বা জৈব সুরক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টি করা। এই নিয়ম মেনেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ আয়োজন করেছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড, আইপিএলও একই ফর্মূলা মেনে আয়োজন করছে।

বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা মাঠে ফিরেছেন গত জুলাইতেই, ধীরে ধীরে বেড়েছে সেই সংখ্যা। কড়াকড়ি থাকলেও ক্রিকেটারদের সুরক্ষায় এতদিন ‘বায়োসিকিউর বাবল’ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের। তবে দেরিতে হলেও ক্রিকেটার সুরক্ষা নিশ্চিতে ইসিবি কিংবা বিসিসিআইয়ের মতো একই ফর্মুলাতে ফিরছে বিসিবি, মিরপুর শের-এ বাংলা স্টেডিয়ামে গড়ে তোলা হয়েছে ‘বায়োসিকিউর বাবল’। বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রাণকেন্দ্র হওয়ায় মিরপুরে প্রায় সব সময়ই ক্রিকেটার কিংবা ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের আনাগোনা লেগেই থাকে, আর এ জন্য গ্রিন ও রেড জোনে ভাগ করে ফেলা হয়েছে পুরো মিরপুর স্টেডিয়ামেক।

বিজ্ঞাপন

করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট পাওয়া গ্রাউন্ড স্টাফদের ১০ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে ”বায়োসিকিউর বাবল’ তথা গ্রিন জোনে ঢোকার জন্য বিশেষ কার্ড দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে করোনা নেগেটিভ হওয়া ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফ গ্রিন জোনে প্রবেশের অনুমতি পাবে, জৈব সুরক্ষিত প্রটোকলের মধ্যে থাকা ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফরা যে জায়গা গুলো ব্যবহার করবেন সেটাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিসিবি। ড্রেসিংরুম ও মাঠে প্রবেশের পথ, করিডোর, শেরেবাংলার সবুজ আউট ফিল্ড, একাডেমি মাঠ, ইনডোর, আউটার নেট, জিম ও গ্রিন জোনের অন্তর্ভুক্ত থাকছে।

অন্যদিকে মিডিয়া প্লাজা, বিসিবি কার্যালয়, পার্কিং এলাকা রেড জোনের অন্তর্ভুক্ত থাকবে, সেই সাথে স্টেডিয়ামের তিন ও চার নম্বর গেট এবং ফার্নিচার দোকানের আশপাশের এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই জায়গা গুলোতে গ্রিন জোনের কোনো সদস্য সেখানে যাতায়াত করতে পারবেন না, তবে ক্রিকেটাররা অনুশীলন শেষে বাসায় ফেরার সুযোগ পাবেন। ঝুঁকি এড়াতে ক্রিকেটারদের চলাচল সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিসিবির মেডিকেল বিভাগ থেকে, এমনকি পরিবারের যেসব সদস্য কাজের প্রয়োজনে নিয়মিত বাড়ির বাইরে যাতায়াত করেন তাদের থেকেও আলাদা থাকতে বলা হয়েছে।

  বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনাল আগামীকাল হচ্ছে না

করোনা আতঙ্কে ৫ দিন বন্ধ থাকার পর গতকাল থেকে মিরপুরে আবারও শুরু হয়েছে ক্রিকেটারদের একক ও গ্রুপ ভিত্তিক অনুশীলন, তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে দলের কন্ডিশনিং ক্যাম্প শুরু হবে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে। যার প্রক্রিয়া শুরু হবে ১৮ সেপ্টেম্বর করোনা টেস্ট দিয়ে, যারা নেগেটিভ হবেন তাদের নেওয়া হবে হোটেল সোনারগাঁওয়ে। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল, সেখানে ৩ সপ্তাহের কন্ডিশনিং ক্যাম্প শেষে ২৪ অক্টোবর প্রথম টেস্টে মাঠে নামার কথা রয়েছে টাইগারদের।