বিজয় চ্যাম্পিয়ন হওয়া মানে তো কুষ্টিয়াও চ্যাম্পিয়ন

আনামুল হক বিজয়। বাংলাদেশ ক্রিকেটে নিখাদ ট্যালেন্ট এর উদাহরনগুলো দিতে গেলে যে কয়েকজনের নাম বলতে হয় তার মধ্যে আনামুল হক বিজয় অন্যতম।

অস্ট্রেলিয়াতে অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, করেছিলেন পুরো টুর্নামেন্টের সবথেকে বেশি রান। পুরস্কারটাও হাতেনাতে পেয়ে যান বিজয়। অভিষেক হয় জাতীয় দলে।

২০১২ সালে জাতীয় দলে অাসার পর শুরুটা রুপকথার মতই করেছিলেন বিজয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যাক টু ব্যাক টনের পর সেঞ্চুরি হাকান তামিম বিহীন বাংলাদেশ দলের হয়ে মাইটি পাকিস্তানের বিপক্ষে।

সেই এশিয়া কাপে পাকিস্তানের তালহা, উমর গুলকে পুল আর ফ্লিকে মারা ছয়গুলো এখনও তাতিয়ে বেড়াই দেশের তরুন খেলোয়ারদের।

দেশের অন্যতম মেধাবী উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান এর আরো রেকর্ড আছে। বিপিএল ফাইনালে সব্বোর্চ্চ ইনিংস খেলার তালিকায় প্রথম পাচ জনের মধ্যে দ্বিতীয় টাইগার ক্রিকেটার বিজয়। গতকালের তামিমের সেঞ্চুরির অাগে তিনিই ছিলেন সব্বোর্চ্চ। সেবার চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন ঢাকাকে।

এবার তিনি চ্যাম্পিয়ন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস এ খেলা এই ব্যাটসম্যান তামিমকে সঙ্গ দিয়েছেন, বড় স্কোরের পথে ভীত গড়েছেন।

আনামুল হক বিজয়ের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। পড়াশুনা করেছেন কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে। পরবর্তীতে ভর্তি হন বিকেএসপিতে।

সে কারনেই বিজয় ভাল করলেই, বিজয় জিতলেই যেন জিতে যাই কুষ্টিয়া। চোখ ধাধানো সেঞ্চুরি করে বিজয় আবারো জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাতাবেন এমন প্রত্যাশা তার লাখো ভক্তদের।

কেননা একজন ট্যালেন্টেড ব্যাটসম্যানের অফ ফর্মে থাকাটাও যে বেমানান!! তাকে ফিরতে হবে, জাতীয় দলের জন্য ফিরতে হবে। বাংলাদেশ এর জন্য ফিরতে হবে।

শুভকামনা চ্যাম্পিয়ন বিজয়।

Author: Wahed Murad

I am passionate for sports , specially in cricket and so i'll do my best to development of sports. I'm also teaching English language and trained at web design and development with fine web arts.