অনুশীলনে ফিরছে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

অনুশীলনে ফিরছে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে মার্চের পর বন্ধ হয়ে গেছে সব ধরণের প্রতিযোগিতামুলক ক্রিকেট খেলা, দুই মাসের বেশি সময় কেটে গেলেও উন্নতি হয়নি করোনা পরিস্থিতির। প্রতিদিনই গাণিতিক হারে বাড়ছে করোনা পজিটিভ শনাক্তের সংখ্যা, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে লম্বা হচ্ছে মৃত্যুর মিছিলও। কবে এই পরিস্থিতির উন্নতি হবে সেটাও বলার উপায় নেই, তাই বলে তো আর সারাজীবন বন্ধ রাখা সম্ভব নয় ক্রিকেট খেলা।

এমন অবস্থার মধ্যেও ক্রিকেটারদের অনুশীলনে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, আপাতত একজন করে দেশের চারটি মাঠে আলাদা ভাবে ক্রিকেটারদের অনুশীলনের ব্যবস্থা করবে বিসিবি। বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিজামুদ্দিন চৌধুরী সুজন জানিয়েছেন, “ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট ও কক্সবাজারে চাইলে ব্যক্তিগত ভাবে অনুশীলন করতে পারবে মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবালরা”

সরকারের স্বাস্থ্যবিধি ও আইসিসি-বিসিবির গাইডলাইন মেনে অনুশীলন করতে হবে জানিয়ে নিজামুদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, “যদি কেউ চায়, আর পাঁচ সাতদিন পর থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসব জায়গায় অনুশীলন করতে পারবে। এসব জায়গায় বিসিবির আওতাধীন মাঠ, জিম ও অন্যান্য অনুশীলন সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন জাতীয় দল ও জাতীয় দলের আশপাশের ক্রিকেটাররা। তবে সে জন্য মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি ও বিসিবির বেঁধে দেওয়া নিয়মকানুন“।

সম্প্রতি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুশীলনের জন্য বিসিবির কাছে অনুরোধ জানায় বেশ কিছু ক্রিকেটার, তারই ধারাবাহিকতায় দেওয়া হচ্ছে অনুশীলনের অনুমতি বলে জানিয়েছেন নিজামুদ্দিন চৌধুরী সুজন। তিনি বলেন, “সবার তো বাসায় জিম–সুবিধা নেই, অনুশীলন করারও উপায় নেই। সে জন্য কয়েকজন ক্রিকেটার আমাদের বলেছে, তারা মাঠে গিয়ে অনুশীলন করতে চায়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে হুট করে এ ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়, আমরা সব রকম স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ক্রিকেটারদের সীমিত পরিসরে অনুশীলন–সুবিধা দিতে যাচ্ছি”।

ক্রিকেটাররা অনুশীলনে ফিরলেও মাঠের ক্রিকেট কবে ফিরবে সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। কারণ করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সরকার সতর্ক জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, “জুনে ঘরোয়া কোন ক্রীড়া ইভেন্ট চালুর পরিকল্পনা নেই সরকারের। তবে আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফরকে সামনে রেখে ক্রিকেটারদের অনুশীলনে ফেরানো হচ্ছে এমনটাই ধারণা ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের”

CATEGORIES
TAGS