ফিচারঃ ইংল্যান্ডের প্রথম শিরোপা স্বাদ

ফিচারঃ ইংল্যান্ডের প্রথম শিরোপা স্বাদ


কেভিন পিটারসেন দৌড়াচ্ছেন কলিংউড অভিমুখে; শুধুই কেপি নয়, ডাগ আউট থেকে পুরো ইংলিশ দলটাই তখন কলিংউড পানে ছুটে চলেছে। ছুটবেই না বা কেন? সদ্যই তো একটা অমর মাইলফলক স্পর্শ করল এরা; ওরা তো এখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন!

ওয়াটসনের করা ১৭ তম ওভারের শেষ বলটি মিড উইকেটে ঠেলে দিয়ে ইংলিশ অধিনায়ক প্রান্ত বদলের সাথে সাথেই ইংলিশ সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠলো গ্যালারি! একটা বিশ্বকাপের জন্য ইংরেজদের ৩৫ বছরের আক্ষেপ অবশেষে ঘোচলো! চার-চারটি ফাইনালে শূন্য হাতে ফেরার পর প্রথম কোনো বৈশ্বিক শিরোপা ইংল্যান্ডের ঘরে! আহ তৃপ্তি…

উড়তে থাকা অস্ট্রেলিয়াকে আজ মাটিতে নামিয়ে “বিশ্ব সেরা”-র তকমা গায়ে বসালো থ্রি লায়ন্সরা। ২০১০ সালে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের তৃতীয় আসরের ফাইনালে ব্রিজটাউনের দি কেনসিংটন ওভালে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা অজিদের শুরু থেকেই চেপে ধরে ইংলিশ বোলাররা। মাত্র ১৩ বলেই ৩ উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকা অস্ট্রেলিয়া প্রথম ১০ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে সংগ্রহ করে মাত্র ৪৭ রান।

ক্যামেরন হোয়াইট আর হাসি ভাতৃদ্বয়ের সৌজন্যে শেষ ১০ ওভারে ১০০ সংগ্রহে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শেষ হয় ২৪৭/৬ রানে। লক্ষ্য তাড়ায় প্রথম দুই ওভার শেষে কখনো মনে হয়নি ইংল্যান্ড পথ হারাতে পারে। নেপথ্যে, কেপি ও কিয়েসওয়েটারের ৬৮ বলে ১১১ রানের জুটি! যা “বড় দলের” ম্যাচটিও একেবারেই একতরফা বানিয়ে দেয়।

ইংল্যান্ড জয় পায় ১৮ বল আর ৭ উইকেট হাতে রেখেই। ম্যাচ সেরা হন কিয়েসওয়েটার; সিরিজ সেরা কেভিন পিটারসেন। দুই “সাউথ আফ্রিকান” ক্রিকেটারের হাত ধরেই ইংল্যান্ড জিতে ন্যায় তাদের প্রথম বিশ্বকাপ! (দলে ছিলেন আরও দুজন ভিনদেশী)।

 

আফফান উসামা, প্রতিবেদক